Saturday, November 27, 2021
Home শিল্পাঙ্গন লক্ষ্মীপুরে নির্মিত হচ্ছে সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র

লক্ষ্মীপুরে নির্মিত হচ্ছে সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরের সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন প্রেমীদের জন্য নির্মিত হচ্ছে শিল্পাঙ্গন নামের একটি প্রতিষ্ঠান ।

প্রায় ২৫ একর জায়গা নিয়ে বিস্তৃত লক্ষ্মীপুরের ঐতিহাসিক দালাল বাজার খোয়া সাগর দিঘীর পাড়ে পর্যটকদের ভীড় জমছে প্রতিনিয়ত।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিনই শতশত
দর্শনার্থীরা বিনোদনের জন্য ছুটে আসে ৩ শত বছরের পুরাতন সুবিশাল এই খোয়া সাগর দিঘীর পাড়ে। এই ঐতিহ্যবাহি দিঘীর উত্তর পাড়ে শিল্পাঙ্গনের অবস্থান।

জেলার শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশের পাশাপাশি, ঘুরতে আসা পর্যটকদের বাড়তি বিনোদনের জন্যই গড়ে উঠছে ‘শিল্পাঙ্গন’ নামে একটি সাহিত্য সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান।

যেখানে বাঘ, সিংহ, হরিন, কুমির ইত্যাদি প্রাণী দিয়ে সাজানো কৃত্রিম সুন্দরবন, একই সাথে শিশু বিনোদন, বইঘর, ছবিঘর, খেলাঘর, চা কফির আড্ডা ও বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছে উন্মুক্ত মঞ্চ।

এছাড়াও এখান থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হবে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রথম সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা ‘শিল্পাঙ্গন’। জেলার প্রতিভাবান ক্ষুদে কবি ও লেখকদের প্রতিভাকে বিকশিত করতে শিল্পাঙ্গন সাহিত্য পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিল্পাঙ্গনের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, খোয়া সাগর দিঘী লক্ষ্মীপুরের সবচেয়ে মনোরম দর্শনীয় স্থান, এখানে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের বাড়তি বিনোদন দিতে আমাদের এই কার্যক্রম। পাশাপাশি সাহিত্য সংস্কৃতি বিকাশে ‘শিল্পাঙ্গন’ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হবে। সামাজিক কার্যক্রমেও শিল্পাঙ্গন কাজ করবে।

আরো জানান, ‘শিল্পাঙ্গন’ একটি সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র। যা লক্ষ্মীপুরের সাহিত্য সংস্কৃতি প্রেমীদের মাঝে আলোড়ন তৈরি করবে বলে মনে করি। আনন্দ-বিনোদন, শরীরচর্চা, মানুষিক বিকাশের জন্য পাঠাগারসহ সম্পুর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো শিল্পাঙ্গন খুব শীঘ্রই উদ্বোধন করা হবে।

দিঘীর পাড়ে ঘুরতে আসা একজন দর্শনার্থী জানান, সময় পেলেই পরিবার নিয়ে ছুটে আসি এখানে। কিন্তু বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই খোয়া সাগর দিঘীর পাড়ে। এখানে নির্মাণাধীন ‘শিল্পাঙ্গন’ প্রতিষ্ঠানটি দেখে খুবই ভালো লাগছে।
চমৎকার কারুকাজ ও নান্দনিকভাবে তৈরি হচ্ছে। শিশুদের খেলাধুলার জন্য অনেক সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। শিল্পাঙ্গন শিশুদের বিনোদনের জন্য খুবই উপযুক্ত হবে বলে মনে হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মাইন উদ্দিন পাঠান জানান, এরকম কার্যক্রমকে সবসময় সাধুবাদ জানাই। লক্ষ্মীপুর জেলার সাহিত্য সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে শিল্পাঙ্গন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিনোদনেরও সুযোগ, অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ বলা চলে। শিল্পাঙ্গনের সাফল্য কামনা করছি।

সম্পর্কিত আর্টিকেল

(প্রিন্ট এবং অনলাইন) ভার্সনে নভেম্বর থেকে প্রকাশিত হবে

লক্ষ্মীপুরের সাহিত্য সংস্কৃতি ও শিল্পকে বিকশিত করতে লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে শিল্প-সাহিত্য পত্রিকা ' শিল্পাঙ্গন ' আগামী নভেম্বর ২০২১ থেকে পত্রিকাটি নিয়মিত (প্রিন্ট এবং...

বিজ্ঞাপন

লেখা আহবান

সর্বশেষ প্রকাশিত

লক্ষ্মীপুরে নির্মিত হচ্ছে সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন প্রেমীদের জন্য নির্মিত হচ্ছে শিল্পাঙ্গন নামের একটি প্রতিষ্ঠান । প্রায় ২৫ একর জায়গা নিয়ে বিস্তৃত লক্ষ্মীপুরের ঐতিহাসিক দালাল বাজার...

শরৎ আসে, হামিদা আনজুমান

শরৎ আসে হামিদা আনজুমান শরৎ আসে শুভ্র হাসি শাপলা ফোটা পথে অরুণ কিরণ রাঙা পায়ে কাশ ফুলেদের রথে। শিউলি তলে জাফরাণী ঢেউ শিশির বিন্দু দুলে শরৎশশি জোছনা বিলায় প্রণয়...

নিমন্ত্রণ, এম. এ. শিকদার

নিমন্ত্রণ এম. এ. শিকদার চল্ রে খোকা চল্ রে খুকি আমার সাথে চল, ঐ যে দ্যাখ না— ফল বাগানে! আছে অনেক ফল। লিচু আছে কাঠাল আছে আরো আছে আম, ইচ্ছে মতো পারবি...

ইচ্ছে করে, মিজানুর রহমান

ইচ্ছে করে মিজানুর রহমান ইচ্ছে করে ঘুড়ির মতো আকাশপানে উড়তে রাখাল হয়ে সবুজ বনে মন শুধু চায় ঘুরতে। পাখির মতো মুক্তমনা অবুঝ মনের চাওয়া কিচিরমিচির ভোরবেলাতে গানের কলি গাওয়া। হঠাৎ আবার ইচ্ছে জাগে হতে মাঠের...